Aassalamu alikum how are you I hope you are all well. All the praise to Allah subhanahu oatala.I am Abu Saeid Studying MS in Food Processing and Preservation in Hajee Muhammad Danesh Science and Technology University, Dinajpur. Stay in Zia hall room no#226# 1st floor in HSTU campus, Basher hat, Dinajpur.


Wednesday, February 27, 2013

Project Work

Sample preparation and its series dilution
30 gm of sample was mixed with 270 ml peptone physiological salt solution for sample preparation.
For series dilution, 9 ml of peptone physiological salt solution was transferred into each test tube by using sterile pipette. Then, 1ml of sample was added into 1st test tube using another sterile pipette. So, its dilution was 10-1. Then, 1ml solution was taken from first test tube using another sterile pipette and transferred into 2nd test tube which was containing 9 ml PPS. Its dilution became 10-2. This process was repeated to make several dilutions (10-3, 10-4, 10-5, 10-6 and 10-7).
Fehling solution (A): 69.29 gm to copper sulphite was dissolved in water dilute to 1000 ml if necessary filter through No.4 whatman paper.
Fehling solution (B): 346 gm of Rochelle salt (Potassium sodium tartarate, KNaC4H4O6. 4H2O) was dissolved and 100 gm NaOH in water and made up to 1000 ml.
Methylene blue indicator: 1mg of methylene blue was dissolved in 100 ml of water.
45% Neutral lead acetate solution:  225 gm of neutral lead acetate was dissolved in water and dilute to 500 ml.
Determination of Crude Fiber
The method is based on the procedure developed by Henneberg, Stohman and Rautenberg in the agricultural experiment station at Weende bei Gottingen in Germany in 1864. Only slight modifications have been made in the Weende method since its development.
a) 0.255N sulfuric acid solution: Concentrated sulfuric acid (3.54 ml) was added in distilled water and the volume was made up to 500 ml.
b) 0.313N sodium hydroxide solution: Sodium hydroxide (6.26g) was dissolved in distilled water and the volume was made up to 500 ml.
Crude fiber
Moisture and fat free sample was taken into a 500 ml beaker. 0.255N sulfuric acid (200 ml) was added in the beaker and boiled for 30 minutes, keeping the volume constant by addition of distilled water at frequent intervals. At the end of this period the mixture was filtered through a muslin cloth and the residue washed with hot water till free form acid. The material was then transferred to the same beaker and 0.313N  boiling NaOH (200 ml) was added after boiling for 30 minutes (keeping the volume constant as before) the mixture was filtered through muslin cloth, the residue was washed with hot water till free from alkali followed by washing with  some alcohol and diethyl ether. It was then transferred into a crucible, dried overnight at 1050 C in an oven and weighed. Then the crucible was heated in a muffle furnace of 6000 C for 3-5 hours. Cooled and weighed again. The differences in the weights represent the weight of crude fiber.

% of crude fiber (g)   =


Your best IELTS study partner
IELTS test in Ireland – February 2013 (Academic Module)
The IELTS test taker A from Ireland shared this exam update:
Listening test
Section 1. A woman was checking what were the sports club entry requirements for her son.
Section 2. A talk about accidental domestic fires, reasons and possible rescue plans.
Section 3. Students were talking about their interest in business study and social science.
Section 4. Scientific research about kangaroos, mice and other rodents, their feeding habits and interactions, carried out in Auckland.
Reading test
Passage 1. About farming and alternative use of pesticides by Neem trees (evergreen trees growing in some parts of India).
Passage 2. About play and science, how and why they are related to each other, author’s views about scientists’ behavior.
Passage 3. About cinemas in England.
Writing test
Writing task 1 (a report)
We were given a chart showing the percentage of free time spent by adults on different activities in England in 2006.
Writing task 2 (an essay)
Nowadays there is no need for museums and art galleries any more. Since everything is accessible through internet, people can find any historic facts there. Do you agree or disagree? Give reasons and examples from your personal knowledge.
Speaking test
- What do you enjoy the most in your studies?
- Do people take more photographs these days?
- How often do you take pictures?
- When did you last take a picture?
- Do you like cold climate or hot?
- What are the seasons in your country?
- Did the weather change in the recent years?
Cue card
Describe a product that you bought and were disappointed with. Please say
- What was the product?
- Where did you buy it?
- Why was it unsatisfactory?
- What do you think about people’s materialistic attitude?
- What do people look for when they buy a product?
- Is environment getting affected by people’s activities?
- What considerations are to be taken by manufacturers in order to protect the environment?
- What is more important, to keep the environment intact or to satisfy our consumerist needs?

Tuesday, February 26, 2013

ভালবাসা দিবস

 ভালবাসা দিবস কেন্দ্র করে সারা পৃথিবী উন্মাতাল হয়ে উঠে। বাজার ছেয়ে  যায় নানাবিধ উপহারে। পার্ক ও হোটেল- রেস্তোরাঁগুলো সাজানো হয় নতুন সাজে। পৃথিবীর  প্রায় সব বড় শহরেই ‘ভ্যালেন্টাইনস ডে’-কে ঘিরে পড়ে যায় সাজ সাজ রব। পশ্চিমা  দেশগুলোর পাশাপাশি প্রাচ্যের দেশগুলোতেও এখন ঐ অপসংস্কৃতির মাতাল ঢেউ লেগেছে। হৈ  চৈ, উন্মাদনা, ঝলমলে উপহার সামগ্রী, প্রেমিক যুগলের চোখেমুখে থাকে বিরাট উত্তেজনা।  হিংসা-হানাহানির যুগে ভালবাসার এই দিনকে! প্রেমিক যুগল তাই উপেক্ষা করে সব চোখ  রাঙানি। বছরের এ দিনটিকে তারা বেছে নিয়েছে হৃদয়ের কথকতার কলি ফোটাতে। </p>             <p>‘ভ্যালেন্টাইনস ডে’র ইতিহাস প্রাচীন। এর সূচনা প্রায়  ১৭শ’ বছর আগের পৌত্তলিক রোমকদের মাঝে প্রচলিত ‘আধ্যাত্মিক ভালবাসা’র মধ্য দিয়ে। এর  সাথে কিছু কল্পকাহিনী জড়িত ছিল, যা পরবর্তীতে রোমীয় খৃষ্টানদের মাঝেও প্রচলিত হয়।  ভ্যালেনটাইন ডে সম্পর্কে বিভিন্ন বর্ণনা পাওয়া যায়। যেমন- ১. রোমের সম্রাট দ্বিতীয়  ক্লডিয়াস-এর আমলের ধর্মযাজক সেন্ট ভ্যালেনটাইন সম্রাটের খৃষ্টধর্ম ত্যাগের আহবান  প্রত্যাখ্যান করলে ২৭০ খৃস্টাব্দের ১৪ ফেব্রুয়ারী রাষ্ট্রীয় আদেশ লঙ্ঘনের অভিযোগে  তাকে মৃত্যুদন্ড প্রদান করা হয়। ২. ১৪ই ফেব্রুয়ারী রোমকদের লেসিয়াস দেবীর পবিত্র  দিন। এদিন তিনি দু’টি শিশুকে দুধ পান করিয়েছিলেন। যারা পরবর্তীতে রোম নগরীর  প্রতিষ্ঠাতা হয়েছিল। ৩. ১৪ই ফেব্রুয়ারী রোমানদের বিবাহ দেবী ‘ইউনু’-এর বিবাহের  পবিত্র দিন। ৪. রোম সম্রাট ক্লডিয়াস তার বিশাল সেনাবাহিনী গঠন করতে গিয়ে যখন এতে  বিবাহিত পুরুষদের অনাসক্ত দেখেন, তখন তিনি পুরুষদের জন্য বিবাহ নিষিদ্ধ করে ফরমান  জারি করেন। কিন্তু জনৈক রোমান বিশপ সেন্ট ভ্যালেন্টাইন এটাকে প্রত্যাখ্যান করেন ও  গোপনে বিয়ে করেন। সম্রাটের কানে এ সংবাদ গেলে তাকে গ্রেফতার করা হয় এবং ২৬৯  খৃষ্টাব্দের ১৪ ফেব্রুয়ারীতে তার মৃত্যুদন্ড কার্যকর করা হয়। সেদিন থেকে দিনটি  ভালবাসা দিবস হিসাবে কিংবা এ ধর্মযাজকের নামানুসারে ‘ভ্যালেন্টাইন ডে’ হিসাবে  পালিত হয়ে আসছে। </p>             <p>পশ্চিমা দেশগুলোতে প্রেমিক-প্রেমিকাদের মধ্যে এ দিনে বন্ধু-বান্ধব,  আত্মীয়-স্বজন, এমনকি পরিবারের সদস্যদের মধ্যেও উপহার বিনিময় হয়। উপহার সামগ্রীর  মধ্যে আছে পত্র বিনিময়, খাদ্যদ্রব্য,  ফুল, বই, ছবি, ‘Be my valentine’ (আমার ভ্যালেন্টাইন হও), প্রেমের কবিতা, গান, শে¬াক লেখা কার্ড প্রভৃতি। গ্রীটিং কার্ডে, উৎসব স্থলে অথবা অন্য  স্থানে প্রেমদেব (Cupid)-এর  ছবি বা মূর্তি স্থাপিত হয়। সেটা হ’ল একটি ডানাওয়ালা শিশু, তার হাতে ধনুক এবং সে  প্রেমিকার হৃদয়ের প্রতি তীর নিশান লাগিয়ে আছে। এ দিন স্কুলের ছাত্ররাও তাদের  ক্লাসরুম সাজায় এবং অনুষ্ঠান করে। </p>             <p>এ দিনে পালিত বিচিত্র অনুষ্ঠানাদির মধ্যে একটি হচ্ছে,  দু’জন শক্তিশালী পেশীবহুল যুবক গায়ে কুকুর ও ভেড়ার রক্ত মাখত। অতঃপর দুধ দিয়ে তা  ধুয়ে ফেলার পর এ দু’জনকে সামনে নিয়ে বের করা হ’ত দীর্ঘ পদযাত্রা। এ দু’যুবকের হাতে  চাবুক থাকত, যা দিয়ে তারা পদযাত্রার সামনে দিয়ে অতিক্রমকারীকে আঘাত করত। রোমক  রমণীদের মাঝে কুসংস্কার ছিল যে, তারা যদি এ চাবুকের আঘাত গ্রহণ করে, তবে তারা  বন্ধ্যাত্ব থেকে মুক্তি পাবে। এ উদ্দেশ্যে তারা এ মিছিলের সামনে দিয়ে যাতায়াত করত। </p>             <p>১৮শ’ শতাব্দী থেকেই শুরু হয়েছে ছাপানো কার্ড প্রেরণ। এ  সব কার্ডে ভাল-মন্দ কথা, ভয়-ভীতি আর হতাশার কথাও থাকত। ১৮শ’ শতাব্দীর মধ্য ভাগ  থেকে উনবিংশ শতাব্দীর প্রথম দিকে যে সব কার্ড ভ্যালেন্টাইন ডে’তে বিনিময় হ’ত তাতে  অপমানজনক কবিতাও থাকত। </p>             <p>সবচেয়ে যে জঘন্য কাজ এ দিনে করা হয়, তা হ’ল ১৪ ফেব্রুয়ারী মিলনাকাঙ্ক্ষী  অসংখ্য যুগলের সবচেয়ে বেশী সময় চুম্বনাবদ্ধ হয়ে থাকার প্রতিযোগিতায় লিপ্ত হওয়া।  আবার কোথাও কোথাও চুম্বনাবদ্ধ হয়ে ৫ মিনিট অতিবাহিত করে ঐ দিনের অন্যান্য  অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করে থাকে। </p>             <p>ভালবাসায় মাতোয়ারা থাকে ভালবাসা দিবসে রাজধানীসহ দেশের বড় বড় শহরগুলো।  পার্ক, রেস্তোরাঁ, ভার্সিটির করিডোর, টিএসসি, ওয়াটার ফ্রন্ট, ঢাবির চারুকলার  বকুলতলা, আশুলিয়া- সর্বত্র থাকে প্রেমিক-প্রেমিকাদের তুমুল ভিড়। ‘সেন্ট  ভ্যালেন্টাইন ডে’ উপলক্ষে অনেক তরুণ দম্পতিও হাযির হয় প্রেমকুঞ্জগুলোতে। </p>             <p>‘ভ্যালেন্টাইনস ডে’ উদ্যাপন উপলক্ষে দেশের নামী-দামী হোটেলের বলরুমে বসে  তারুণ্যের মিলন মেলা। ‘ভালবাসা দিবস’-কে স্বাগত জানাতে হোটেল কর্তৃপক্ষ বলরুমকে  সাজান বর্ণাঢ্য সাজে। নানা রঙের বেলুন আর অসংখ্য ফুলে স্বপ্নিল করা হয় বলরুমের  অভ্যন্তর। জম্পেশ অনুষ্ঠানের সূচিতে থাকে লাইভ ব্যান্ড কনসার্ট, ডেলিশাস ডিনার এবং  উদ্দাম নাচ। আগতদের সিংহভাগই অংশ নেয় সে নাচে। ঘড়ির কাটা যখন গিয়ে ঠেকে রাত দু’টার  ঘরে তখন শেষ হয় প্যান প্যাসেফিক সোনারগাঁও হোটেলের ‘ভালবাসা দিবস’ বরণের অনুষ্ঠান। </p>             <p>ঢাবির টিএসসি এলাকায় প্রতি বছর এ দিবসে বিকেল বেলা অনুষ্ঠিত হয় ভালবাসা র্যালি।  এতে বেশ কিছু খ্যাতিমান দম্পতির সাথে প্রচুর সংখ্যক তরুণ-তরুণী, প্রেমিক-প্রেমিকা  যোগ দেয়। প্রেমের কবিতা আবৃত্তি, প্রথম প্রেম, দাম্পত্য এবং অন্যান্য আনুষঙ্গিক  বিষয়াদির স্মৃতি চারণে অংশ নেয় তারা। </p>             <p>আমাদের দেশের এক শ্রেণীর তরুণ-তরুণী, যুবক-যুবতী এমনকি বুড়া-বুড়িরা পর্যন্ত  নাচতে শুরু করে! তারা পাঁচতারা হোটেলে, পার্কে, উদ্যানে, লেকপাড়ে, বিশ্ববিদ্যালয়  এলাকায় আসে ভালবাসা বিলাতে, অথচ তাদের নিজেদের ঘর-সংসারে ভালবাসা নেই! আমাদের  বাংলাদেশী ভ্যালেন্টাইনরা যাদের অনুকরণে এ দিবস পালন করে, তাদের ভালবাসা  জীবনজ্বালা আর জীবন জটিলতার নাম; মা-বাবা, ভাই-বোন হারাবার নাম; নৈতিকতার বন্ধন  মুক্ত হওয়ার নাম। তাদের ভালবাসার পরিণতি ‘ধর ছাড়’ আর ‘ছাড় ধর’ নতুন নতুন সঙ্গী।  তাদের এ ধরা-ছাড়ার বেলেল্লাপনা চলতে থাকে জীবনব্যাপী। </p>             <p>বর্তমান অবাধ তথ্য প্রবাহের যুগে স্যাটেলাইটের কল্যাণে মুসলিম সমাজ পশ্চিমা  সংস্কৃতির অনুসরণ করছে। নিজেদের স্বকীয়তা-স্বাতন্ত্র্যকে ভুলে গিয়ে, ধর্মীয়  অনুশাসনকে উপেক্ষা করে তারা আজকে প্রগতিশীল হওয়ার চেষ্টা করছে। ফলে তাদের  কর্মকান্ডে মুসলিম জাতির উঁচু শির নত হচ্ছে। অথচ এটা বহুপূর্বে রাসূল (ছাঃ) নিষেধ  করে গেছেন। </p>             <p>ছাহাবী আবু অকেদ (রাঃ) বলেন, রাসূল (ছাঃ) খায়বার যাত্রায় মূর্তিপূজকদের  একটি গাছ অতিক্রম করলেন। তাদের নিকট যে গাছটির নাম ছিল ‘জাতু আনওয়াত’। এর উপর তীর  টানিয়ে রাখা হ’ত। এ দেখে কতক ছাহাবী রাসূল (ছাঃ)-কে বলল, হে আল্লাহর রাসূল!  আমাদের জন্যও এমন একটি ‘জাতু আনওয়াত’ নির্ধারণ করে দিন। রাসূল (ছাঃ) ক্ষোভ প্রকাশ  করলেন, ‘সুবহানাল্লাহ, এ তো মূসা (আঃ)-এর জাতির মত কথা। আমাদের জন্য একজন প্রভু  তৈরি করে দিন, তাদের প্রভুর ন্যায়। আমি নিশ্চিত, আমি আল্লাহর শপথ করে বলছি, তোমরা  পূর্ববর্তীদের আচার-অনুষ্ঠানের অন্ধানুকরণ করবে’ (<em>মিশকাত হা/৫৪০৮)</em>। অন্য হাদীছে  রাসূল (ছাঃ) বলেছেন, <span dir="rtl">مَنْ تَشَبَّهَ بِقَوْمٍ فَهُوَ مِنْهُمْ</span><span dir="ltr"> </span><span dir="ltr"> </span> ‘যে ব্যক্তি যে জাতির অনুকরণ করবে, সে ব্যক্তি সেই  জাতিরই একজন বলে গণ্য হবে’ (<em>আবূ  দাঊদ হা/৪০৩১)</em>। </p>             <p>মানুষের অন্তর যদিও অনুকরণপ্রিয়, তবুও মনে রাখতে হবে ইসলামী দৃষ্টিকোণ  বিচারে এটি গর্হিত, নিন্দিত। বিশেষ করে অনুকরণীয় বিষয় যদি হয় আক্বীদা, ইবাদত,  ধর্মীয় আলামত বিরোধী, আর অনুকরণীয় ব্যক্তি যদি হয় বিধর্মী, বিজাতী। দুর্ভাগ্য যে,  মুসলমানরা ক্রমশ ধর্মীয় আচার, অনুষ্ঠান ও বিশ্বাসে দুর্বল হয়ে আসছে এবং বিজাতীদের  অনুকরণ ক্রমান্বয়ে বেশি বেশি আরম্ভ করছে। যার অন্যতম ১৪ ফেব্রুয়ারী বা ভালবাসা  দিবস। মুসলমানদের জন্য এসব বিদস পালন জঘন্য অপরাধ। </p>             <p>অনেক লোক অবচেতনভাবেই এ সকল অপরাধে জড়িয়ে পড়ছে, অথচ তারা জানেও না, কত বড়  অপরাধ তারা করে যাচ্ছে। শিরক ও কুফরে লিপ্ত ব্যক্তিদের শুভেচ্ছা জানাচ্ছে, ধন্যবাদ  দিচ্ছে। এভাবে আল্লাহর শাস্তিতে নিপতিত হচ্ছে। </p>             <p>মুসলমানদের সাথে সম্পর্ক উন্নয়ন ও কাফিরদের সাথে সম্পর্ক ছেদন হচ্ছে  মুসলমানদের একটি বৈশিষ্ট্য। সুতরাং আমাদের উচিত ও কর্তব্য, মুসলমানদের মুহাববত  করা, কাফিরদের ঘৃণা করা, তাদের সাথে বৈরিভাব পোষণ করা, তাদের আচার-অনুষ্ঠান  প্রত্যাখ্যান করা। এতেই আমরা নিরাপদ, এখানেই আমাদের কল্যাণ, অন্যথা সমূহ ক্ষতির  সম্ভাবনা রয়েছে। </p>             <p>কেউ কেউ হয়তো বলবে, আমরা তাদের আক্বীদা বিশ্বাস গ্রহণ করি না, শুধু আপোষে  মুহাববত, ভালবাসা তৈরি করার নিমিত্তে এ দিনটি পালন করি। অথচ এর মাধ্যমে সমাজে  অশ্লীলতা ছড়ায়, ব্যভিচার প্রসার লাভ করে। একজন সতী-সাধ্বী পবিত্র মুসলিম নারী বা  পুরুষ এ ধরনের নোংরামির সাথে কখনো জড়িত হ’তে পারে না। </p>             <p>এ দিনটি উদ্যাপন কোন স্বভাব সিদ্ধ ব্যাপার নয়। বরং একজন ছেলেকে একজন মেয়ের  সাথে সম্পর্ক জুড়ে দেয়ার পাশ্চাত্য কালচার আমদানিকরণ। আমরা জানি, তারা সমাজকে  চারিত্রিক পদস্খলন ও বিপর্যয় হ’তে রক্ষা করার জন্য কোন নিয়ম-নীতির ধার ধারে না।  যার কুৎসিত চেহারা আজ আমাদের সামনে স্পষ্ট। তাদের অশালীন কালচারের বিপরীতে আমাদের  অনেক সুষ্ঠু-শালীন আচার-অনুষ্ঠান রয়েছে। </p>             <p>মুসলিম সমাজে এক সময় নীতি-নৈতিকতার মূল্য ছিল সীমাহীন। লজ্জাশীলতা ও  শুদ্ধতা ছিল এ সমাজের অলংকার। কোন অপরিচিত মেয়ের সাথে রাস্তায় বের হবার চেয়ে পিঠে  বিশাল ভার বহন করা একটা ছেলের জন্য ছিল অধিকতর সহজ। আর মেয়েদের ক্ষেত্রে তা চিন্তা  করারও অবকাশ ছিল না। অথচ সেই অবস্থা থেকে আজ আমরা কোথায় এসে পৌঁছেছি! এটা হচ্ছে  ‘ভ্যালেন্টাইনস ডে’-র মত বেলেল্লাপনার কুফল। এসবের দ্বারা সরল, পুণ্যবান,  নিষ্কলঙ্ক মানুষ বিপথগামী হচ্ছে। </p>             পরিশেষে  বলব, যখন এ পৃথিবীর বিপুল সংখ্যক মানুষ না খেয়ে থাকে, যখন আমাদের ভবিষ্যৎ  প্রজন্মের কান্ডারী শিশুরা ক্ষুধায়, অপুষ্টিতে ভুগে মারা যায়? তখন আমরা অবৈধ  বিনোদনের নামে নোংরামী করে অযস্র অর্থ নষ্ট করি কোন মানবিকতায়? অতএব যেকোন মূল্যে  এসমস্ত অপসংস্কৃতি থেকে বেঁচে থাকা আমাদের ঈমানী দায়িত্ব। আল্লাহ আমাদের সুমতি দান  করুন।-

Tuesday, February 12, 2013


*      Blanching is a unit operation prior to freezing, canning, or drying in which fruits and vegetables are heated for the purpose of inactivating enzymes, modifying texture, preserving color, flavor and nutritional value and removing trapped air.
*      It is a mild heat treatment but is not a method of preservation. It is a pretreatment usually performed between preparation and subsequent processing.
*      It is not intended as a sole method of preservation but as a pre-treatment which is normally carried out between the preparation of the raw material and later operations

How to done blanching?
Blanching consists of heating the food rapidly to a predetermined temperature, holding for a specified time and then cooled rapidly to near ambient temperature or passing immediately to the next processing stages.
Purpose of blanching:
  • The major purpose of blanching is frequently inactivate enzymes which otherwise would lead to quality reduction in the processed product.
Eg. With frozen products, deterioration could take place, during any delay of processing, during freezing or during subsequent thawing.

  • Blanching causes  the removal of gasses from plant tissues specially intercellular gas
Eg. Especially useful prior to canning where help to achieve or create vacuum in container preventing expansion of air during processing.

  • To bring about shrinkage in order to pack sufficiently high filling weights.
  • It act as a final cleaning and decontamination process.
Eg. It remove pesticide residue, toxic constituent s, from the food material by leaching process during blanching.
  • To prevent an increase in pressure developing In the can s during processing.
  • To prevent loss of color and flavor.
  • It also reduces microbiological content or vegetative cell content during processing.
Eg. Which is  useful for frozen or dry food where the chance of multiplying microorganism have during thawing or dehydration.
Processing condition:
  1. Under blanching:
  2. Marker enzymes
Factors that are necessary to considered during blanching process:
Following factor are must be considered for selecting time and temperature during blanching.
*      Fruits and vegetables properties
-Thermal conductivity
-Degree of maturity]
*      Overall blanching effect required for the processed product.
-achieving specified center temperature
-inactivation peroxidase
-treating the nutrient content
*      Size and shape of the food pieces
*      Method of heating and temperature of the blanching medium.
N.B: time and temperature combination may vary very widely for different food and different process and must be determined specially any situation holding time 1-15 minutes  at 70-1000C are normal.

Blanching equipment:
There are two type of equipment are used in blanching
  1. Steam blanching.
  2. Hot water blanching.
Steam blanching:
Steam blanching consist of a mesh conveyor belt that carries food through a steam atom tunnel ,the residence time of the food is controlled by the space of the conveyor and length of the tunnel .steam blancher are two type:
  1. Individual quick blancher(IQB)
  2. Batch fluidized-bed  blancher
Individual quick blancher (IQB):
Fig: IQB steam blancher
The equipment for IQB steam blancher (Fig. 10.1(a)) consists of a bucket elevator which carries the food to a heating section. The elevator is located in a close fitting tunnel to reduce steam losses. A single layer of food is heated on a conveyor belt and then held on a holding elevator before cooling. The cooling section employs a fog spray to saturate the cold air with moisture. This reduces evaporative losses from the food and reduces the amount of effluent produced. Typically the equipment processes up to 4500 kg h of À 1food. The complete inactivation of peroxidase is achieved with a minimum loss in quality, indicated by the retention of 76–85% of ascorbic acid.
It is three stage blanching process in which the vegetable pieces are heated rapidly in the thin layers by steam followed by holding in a deep bed where temperature  equilibration take places, after which the material is cooled down. the method has the advantages of short residence time improved yield and reduced wastewater.
Batch fluidized-bed  blancher:
Batch fluidized-bed blanchers operate using a mixture of air and steam, moving at approximately
4.5 m/s, which fluids and heats the product simultaneously. The design of the blanching chamber promotes continuous and uniform circulation of the food until it is adequately blanched. Although these blanchers have not yet been widely used at a commercial scale, they are reported to overcome many of the problems associated with both steam and hot-water methods (Gilbertet al., 1980). The advantages include:
        faster, more uniform heating
        good mixing of the product
        a substantial reduction in the volume of effluent
        Shorter processing times and hence smaller losses of vitamins and other soluble heat sensitive components of food.
Hot water blancher type:
  1. Reel  hot water blancher:
  2. Pipe  hot water blancher

Reel blancher:
Food enters a slowly rotating cylinder mesh drum which is partially submerged in hot water. The food is moved through the drum by internal flight. The speed of rotation and length control the heating time.
Pipe blancher:
Pipe blancher consists of a continuous insulated metal pipe fitted with feed and discharge ports. Hot water is recirculates through the pipe and food is metered in. The residence time of food in the blancher is determined by the length of the pipe and the velocity of the water. The blanchers have the advantage of a large capacity while occupying a small floor space. In some applications they may be used to transport food simultaneously through a factory.
v  Advantage and limitations of conventional steam and hot water blancher:
Conventional steam blancher
*      Smaller loss of water soluble components
*      Smaller volume of waste
*      Lower disposal charges
*      Easy to clean and sterilize

*      Limited cleaning of food Higher capital costs
*      Uneven blanching
*      Some mass loss in food
*      Poor energy efficiency

Conventional hot water blancher
*      Lower capital costs
*      Better energy efficiency

*      Loss of water soluble components
*      Higher cost of water and disposal of effluent
*      Risk of contamination

Effect on food during blanching:
  1. Nutrient content:
Some minerals, water-soluble vitamins and other water-soluble components are lost during blanching. Losses of vitamins are mostly due to leaching, thermal destruction and, to a lesser extent, oxidation. The extent of vitamin loss depends on a number of factors including:
·         the maturity of the food and variety
·         methods used in preparation of the food, particularly the extent of cutting, slicing or dicing.
·         the surface-area-to-volume ratio of the pieces of food
·         method of blanching
·         time and temperature of blanching (lower vitamin losses at higher temperatures for shorter times)
·         the method of cooling
·         The ratio of water to food (in both water blanching and cooling).
Losses of ascorbic acid are used as an indicator of food quality, and therefore the severity of blanching (Table 10.2).

  1. Color and flavor:
Blanching brightens the colour of some foods by removing air and dust on the surface and thus altering the wavelength of reflected light. The time and temperature of blanching also influence the change in food pigments according to their D value (Chapter 1).Sodium carbonate (0.125% w/w) or calcium oxide are often added to blancher water to protect chlorophyll and to retain the colour of green vegetables, although the increase in pH may increase losses of ascorbic acid. Enzymic browning of cut apples and potatoes is prevented by holding the food in dilute (2% w/w) brine prior to blanching. When correctly blanched, most foods have no significant changes to flavour or aroma, but under-blanching can lead to the development of off-flavours during storage of dried or frozen foods (Chapters 15 and 21). Changes in colour and flavour are described in more detail by Selman (1987).
  1. Texture:
       One of the purposes of blanching is to soften the texture of vegetables to facilitate filling into                         containers prior to canning. However, when used for freezing or drying, the time–temperature conditions needed to achieve enzyme inactivation cause an excessive loss of texture in some types of food (for example certain varieties of potato) and in large pieces of food. Calcium chloride (1–2%) is therefore added to blancher water to form insoluble calcium pectate complexes and thus to maintain firmness in the tissues.


Related Posts Plugin for WordPress, Blogger...

Follow by Email


^ Back to Top