Aassalamu alikum how are you I hope you are all well. All the praise to Allah subhanahu oatala.I am Abu Saeid Studying MS in Food Processing and Preservation in Hajee Muhammad Danesh Science and Technology University, Dinajpur. Stay in Zia hall room no#226# 1st floor in HSTU campus, Basher hat, Dinajpur.

POSTS\\\\

Wednesday, December 6, 2017

------------------ইংরেজি শিখার ৬ স্টেপ--------------------------


আমরা ইংরেজি পত্রিকা পড়ে, সাব-টাইটেল ওয়ালা মুভি দেখে, কিংবা ইংলিশ মিডিয়ামের কারো সাথে টাঙ্কি মেরে ইংরেজি শিখার চেষ্টা করি। আবার ইংরেজি গান শুনে, পকেটে ডিকশনারি নিয়ে, এমনকি কোচিং সেন্টারেও ভর্তি হই। তবে ফ্রেন্ডদের সামনে ইংরেজিতে কথা বলতে গিয়ে শব্দ খুঁজে না পেয়ে, হাসির পাত্র হয়ে, ইংরেজি শিখার চেষ্টাকে চিরদিনের জন্য আনফ্রেন্ড করে দেই।
স্টেপ-০: কেনো শিখতে গিয়েও ব্যর্থ হই
পত্রিকা পড়ে, ইংরেজি শিখতে গিয়ে, এক লাইনের মধ্যে, চৌদ্দবার ডিকশনারিতে শব্দের অর্থ খুঁজতে হয়। তারপরেও পুরা সেন্টেন্সের মিনিং অর্ধেকও বুঝতে পারি না। এইভাবে ১৫-২০ মিনিট ইংরেজির অত্যাচার সহ্য করে টায়ার্ড হয়ে যাই। দুই দিন পরে ভুলে যাই, কি খবর পড়তেছিলাম, আর কেনোইবা ইংরেজি পত্রিকা পড়তেছিলাম।
ইংরেজি রেডিও বা অডিও শুনতে গেলেও একই সমস্যা হয়। শব্দের অর্থ জানি না। দুই একটা পরিচিত ওয়ার্ড শুনলে, মাথার মধ্যে- "আরে, এই ওয়ার্ড এর মিনিং তো আমি জানতাম!, কি জানি মিনিং?" করতে থাকে। শব্দের অর্থ মনে করার চেষ্টা করতে করতে, অডিও কিন্তু বসে থাকে না। চিন্তা করার কারণে, অডিও এর দুই এক লাইন মিস হয়ে যায়। তারপর না পারি অডিও ঠিক মতো শুনতে। না পারি শব্দের মিনিং বুঝতে। ভিডিও বা ইংরেজি সিনেমা দেখতে গেলে আরও বেশি বিপদ। এক সাথে তিনটা সমস্যা- না পারি সাব টাইটেল পড়ে ঠিকমতো মিনিং বুঝতে, না পারি উচ্চারণ শুনে নিজে নিজে উচ্চারণ ঠিক করতে, না পারি সিনেমাটা উপভোগ করতে। শেষপর্যন্ত মুভিটাও এনজয় করতে পারি না, আবার ইংরেজি শিখার আগ্রহও ধরে রাখতে পারি না।
এইভাবে সপ্তাহ-খানেক চেষ্টা করার পরে- আমরা টায়ার্ড হয়ে যাই। টায়ার্ড হয়ে গেলে, মনে মনে ভাবি- একদিন রেস্ট নিয়ে আবার শুরু করবো। তবে আমাদের একদিন রেস্ট নিতে গেলে, দুই মাস শেষ হয়ে যায়, মাগার রেস্ট নেয়া শেষ হয় না।
তাই বিগিনার লেভেলে ইংরেজি শিখার জন্য দৈনিক ১৫ থেকে ৩০ মিনিট সময় দিলেই হবে। সেটা একটানা না হলেও চলবে। ধরেন, ক্লাসে যাওয়ার পথে, বাসে বা ঘুম থেকে উঠে, ৫ মিনিট করে ভেঙ্গে ভেঙ্গে সময় দিলেও হবে।
স্টেপ-১: 3W
শুনেন, ইংরেজি একটা সমুদ্র। দুই তিন মাসে এই সমুদ্র গিলে খাওয়া সম্ভব না। সো, পুরা সমুদ্র টার্গেট না করে, ছোট একটা অংশকে টার্গেট করতে হবে। সেই টার্গেট সেট করতে হবে তিনটা প্রশ্ন দিয়ে Why, What, When (3W)।
Why: প্রথমেই বুঝতে হবে, আপনি কোনো ইংরেজি শিখতে চান?
=> হতে পারে- হায়ার স্টাডি করতে চান বা চাকরির ইন্টারভিউতে ভালো করতে চান , কিংবা বিদেশী ক্লায়েন্ট হ্যান্ডেল করতে ইংরেজি শিখতে চান।
What: আপনি, ইংরেজির কি শিখতে চান?
=> হয়তো বলবেন- সব, বা স্পিকিং, বা লিসেনিং, বা এই দুইটা। এগুলার কোনটাই গ্রহণযোগ্য উত্তর না। আরো স্পেসিফিক হতে হবে। আবারও জিজ্ঞেস করবেন, স্পিকিং এর কি? হয়তো বলবেন কিভাবে অফিসিয়াল কথাবার্তা। এটাও স্পেসিফিক না। অফিসে হাজারো রকমের কথাবার্তা বলতে হয়। আরো বেশি স্পেসিফিক হওয়া লাগবে। এমন স্পেসিফিক হওয়া লাগবে যেটা একদিন, দুইদিন, সর্বোচ্চ তিনদিনের মধ্যে শিখে ফেলা যায়। তার চাইতে বড় কোন টার্গেট নিলে, কোনদিনও করে উঠতে পারবেন না। তাই খুবই ছোট একটা টার্গেট নিতে হবে হবে। যেমন, "কিভাবে কাস্টমারকে ওয়েলকাম জানাতে হয়"। এইটা খুব ছোট এবং স্পেসিফিক হইছে। কারণ দুই-তিনদিনের মধ্যে এইটা শিখে ফেলা যাবে।
When: তারপর জিজ্ঞেস করতে হবে -কখন শিখতে চান?
=>সবসময় এই প্রশ্নের উত্তর হতে হবে- আজকেই, এক্ষুনি। এই মুহূর্তে। কখনোই কালকে বা পরের সপ্তাহে বলা যাবে না। তাইলে শুরু করাই হবে না। আপনি যেই গাধা মার্কা আছেন, সেই গাধা মার্কাই থেকে যাবেন।
স্টেপ-২: জাস্ট লিসেন
অনলাইনে বা ইউটিউবে সার্চ দিয়ে একটা অডিও বের করতে হবে। তিন মিনিটের অডিও। সর্বোচ্চ পাঁচ মিনিটের হতে পারে। ভিডিও হলে, ভিডিও না দেখে, শুধু হেড-ফোন কানে দিয়ে শুনতে হবে। অটো রিপ্লে দিয়ে, কমপক্ষে ১০-১৫ বার শুনবেন। শুধু শুনবেন। চোখ বন্ধ করে রিলাক্স হয়ে একই জিনিস বারবার শুনবেন।
যদি খেলা দেখার সখ থাকে, ভিডিও বন্ধ করে শুধু কথা শুনবেন। তবে পুরা খেলার ধারাভাষ্য শুনা যাবে না। শুধু চার পাঁচ মিনিটের অংশ নিয়ে, একই জিনিস বারবার শুনতে হবে। কোন অভিনেতা বা মডেলের ক্রাশ খাইলে, তার সাক্ষাৎকার এর অডিও মোবাইলে নিয়ে হেড-ফোন দিয়ে বারবার শুনবেন। ইংরেজি খবর দেখলে ভিডিও বন্ধ করে শুধু অডিও শুনবেন।
মনে রাখবেন, আপনার উদ্দেশ্য লিসেনিং। ইংরেজি শুনা। বুঝা কিন্তু না। বুঝা পরে আসবে। আগে শুনতে হবে। জাস্ট শুনবেন। শুনতে গিয়ে একই সাথে ওয়ার্ড শিখা, উচ্চারণ শিখা, গ্রামার শিখা, সব করা যাবে না। বি ফোকাসড, ফোকাসড এন্ড ফোকাসড।
স্টেপ-৩: ডোন্ট ফোকাস অন ওয়ার্ড, জাস্ট লিসেন
বাচ্চারা কিভাবে কথা শিখে? তারা কিন্তু মিনিং জানে না। আব্বু কি জিনিস, আম্মু কি জিনিস বুঝে না। ডিকশনারি খুলেও মিনিং বের করার চেষ্টা করে না। বরং একই জিনিস বারবার শুনতে থাকে। এক দুই মাস শুনতে শুনতে নিজে নিজেই একটা ধারণা তৈরি হয়ে যায়- এই লোকটা যখন আসে, তখন লোকটাই আব্বু আব্বু বলে। আবার ঐ মহিলাটা যখন আসে, তখন সে আম্মু, আম্মু বলে। এই শুনতে শুনতেই বাচ্চারা শিখে ফেলে। সো, আপনিও খালি শুনার চেষ্টা করবেন। শিখার চেষ্টা পরে দেখা যাবে।
বাংলায় কেউ কিছু বললে, কয়েকটা শব্দ শুনলেই আপনি ধরে ফেলতে পারেন, সে কি নিয়ে কথা বলতেছে। প্রত্যেকটা শব্দ খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে ডিকশনারিতে মিনিং খুঁজে বের করার চেষ্টা করেন না। একইভাবে ইংরেজি শুনার সময়, ওয়ার্ড বাই ওয়ার্ড মিনিং খুঁজে বের করার চেষ্টা করবেন না। কাগজ কলম নিয়ে ওয়ার্ড লিখতে যাবেন না। কোন শব্দ ইম্পরট্যান্ট হলে, সেটা বিভিন্ন ভিডিওতে বার বার ফিরে আসবে। বারবার ফিরে আসতে আসতে আপনিও বাচ্চাদের আব্বু আম্মু শিখার মতো করে, নিজের অজান্তেই শিখে ফেলবেন।
এই লিসেনিং চলবে এক মাস। ছয় সাতটা পাঁচ মিনিটের ভিডিও ১০-১৫ বার করে শুনবেন।
আর একটাই কথা মনে রাখবেন- when you are listening ...just listen ...relax and don’t worry...don’t stop...you don’t have to understand every word ...
স্টেপ -৪: তোতা পাখি
গত এক মাস যে অডিওগুলা শুনছিলেন, সেগুলা বার বার শুনতে শুনতে অনকেটা মুখস্থ হয়ে যাওয়ার কথা। যদিও পুরাপুরি মিনিং নাও জানতে পারেন। এখন সেই অডিওগুলা হেড-ফোন কানে দিয়ে, দরজা বন্ধ করে, অটো রিপ্লে দিয়ে, অডিও চলার সাথে সাথে, শুধু প্রথম সেন্টেন্সটা বলার চেষ্টা করবেন। বলতে না পারলে, অডিও থামানোর দরকার নাই। রিপ্লে হয়ে আবার যখন আসবে, তখন বলার চেষ্টা করবেন। প্রথম সেন্টেন্সটা এইভাবে তিনবার বলার চেষ্টা করবেন। প্রথম সেন্টেন্স প্রাকটিস হয়ে গেলে, পরের সেন্টেন্স বলার চেষ্টা করবেন। এইভাবে প্রথম পাঁচটা সেন্টেন্স প্রাকটিস হয়ে গেলে, আজকের জন্য খতম। কালকে আবার অডিও এর মাঝখানের পাঁচটা সেন্টেন্স ট্রাই করবেন। তারপরের দিন লাস্টের পাঁচটা সেন্টেন্স ট্রাই করবেন।
বাচ্চাদের শিখানোর সময়, তাদের কানের কাছে একই শব্দ বার বার বার বলতেই থাকে। বলতেই থাকে। শুনতে শুনতে বাচ্চাদের কান ঝালাফালা করে ফেললে, বাচ্চারা দুই-একটা শব্দ বলা শুরু করে। তারপর ভুল ভাল দুই-একটা সেন্টেন্স। আপনিও একইভাবে শুরু করবেন।
স্টেপ-৫: জাস্ট স্পিক
সপ্তাহের প্রথম তিনদিন যে অডিওটা, কানে হেড-ফোন লাগিয়ে, অডিও এর সাথে সাথে বলার চেষ্টা করছিলেন, সেটাই পরের তিনদিন একটা দুইটা সেন্টেন্স বলবেন। তবে এইবার কানের সাথে হেডফোন না লাগিয়ে বলবেন। নিজে নিজে বলার চেষ্টা করবেন। যখন বলবেন, তখন শুধু বলবেন। অডিও থেকে কি রকম শুনছিলেন, সেটার মতো উচ্চারণ হইছে কিনা, সেটার মতো গ্রামার হইসে কিনা, তার মতো স্পিড আসতেছে কিনা, চিন্তা করা যাবে না। ভুল, কি ঠিক হইছে, চিন্তা করতে যাবেন না। শুধু মুখ দিয়ে শব্দ বের করতে থাকবেন।
বশুনেন, আপনি বাংলা বলার সময় গ্রামার ঠিক করে কথা বলেন না। উচ্চারণ সব ঠিক হয় না। আর কোন পিচ্চি বাচ্চা যদি বাংলা কোন শব্দ ধীরে ধীরে কিংবা ভুল উচ্চারণ করে, সেন্টেন্স ঠিক মতো বলতে না পারে, আমরা কিন্তু তার কথা বুঝে ফেলি। সে কি বলতে চাইছে, সেটা কিন্তু ধরে ফেলতে পারি। একইভাবে আপনি ইংরেজি প্রথম প্রথম শিখতেছেন। আপনি বাংলায় পাকনা হইলে, ইংরেজিতে কাঁচা। ইংরেজিতে একটা কাঁচা বাচ্চা। তাই আপনার উচ্চারণ ঠিক না হলে, গ্রামারে ভুল হইলে, থেমে থেমে বলে দিতে পারলেই, যে শুনতেছে সে বুঝে ফেলবে।
আর ইংরেজি প্রাকটিস করার জন্য, আরেকজন লাগবে এমন কোন কথা নেই। ইংরেজিতে ভালো এমন কাউকেও লাগবে না। আপনি নিজে নিজেই পারবেন। Speak English fluently without thinking about the rules and logic.
স্টেপ-৬: একসাথে
এই যে লিসেনিং এবং স্পিকিং এর স্টেপ চালাচ্ছিলেন, এই দুইটা স্টেপ কয়েকবার রিপিট করতে হবে। এবং ইংরেজি শিখাটাকে একটা অভ্যাসে পরিণত করতে হবে। যত কিছুই হোক না কেনো, আপনার ভাত খাওয়া কিন্তু বাদ যায় না। সো, একইভাবে ইংরেজি শিখা বাদ দেয়া যাবে না। প্রয়োজন হলে, নিজেই নিজেকে শর্ত দিবেন। আগে ১৫ মিনিট ইংরেজি প্রাকটিস করে নেই, তারপর ভাত খাবো।

Tuesday, June 13, 2017

আল্লাহর ভয়ই যদি থাকত তবে তো সে এই প্রেমেই জড়াত না

হাঁটছি বাসার উদ্দেশ্যে সরকারি কলোনীর ভেতর দিয়ে।
ফুঁপিয়ে কান্নার শব্দ শুনে চমকে তাকালাম পাশে।
একটা মেয়ে ফোন কানে চেপে ধরে কান্না করছে। এবার মেয়েটা কাঁদতে কাঁদতেই বলল,
'তুমি আমার সাথে এত বড় প্রতারনা করতে পার না, আল্লাহ সহ্য করবে না, আল্লাহ কে ভয় করো, আমি তোমাকে বিশ্বাস করতাম,ভালবাসতাম।'
এই বলে আবার কান্না শুরু করল। তার সব কথা যে মানুষজন শুনছে এবং তাকিয়ে তামাশা দেখেছে সেদিকে মেয়েটার ভ্রুক্ষেপ নেই।
সব হারানো তীব্র যন্ত্রনার মাঝে আজ লজ্জা, অপমান সব ফিকে।
.
প্রেমে প্রতারিত হওয়ার পর যখন কেউ প্রতারক কে আল্লাহর ভয় দেখায়, তখন ব্যাপারটা হাস্যকর হয় বৈকি।
হিসাব সিম্পল!
আল্লাহর ভয়ই যদি থাকত তবে তো সে এই প্রেমেই জড়াত না।
মাঝে মাঝে কিছু প্রশ্ন মাথায় জট পাকিয়ে যায়। যে প্রেম কে ইসলাম হারাম ঘোষনা করেছে সে প্রেমের মোহে ছুটে as a result কি মেলে?
কি মেলে তা কারও অজানা নয়।
কারোও বা বিশেষ মুহূর্তের ভিডিও/ছবি ভাইরাল হয়,
কারও বা এবরশনের উদ্দেশ্যে হসপিটালে ছুটতে হয়,
কেউবা আবার সব হারিয়ে আত্মহত্যার পথ বেছে নেয়,
কেউবা আবার এক জীবন দুঃস্বপ্নের অতল গহ্বরে তলিয়ে যায়,
কেউবা আবার চাপাতির কোপে টুকরো টুকরো হয়।
আহা প্রেম!!
তবু কিছু আহাম্মক প্রেমের পেছনেই ছুটবে, সব হারাবে, তারপর উপরের কোন একটা পরিণতি!
.
অনেক বোনকেই বলতে শুনি, 'কোরআনে কোথায় আছে যে প্রেম হারাম?'
ব্যাপার টা আদৌ এমন নয় যে আমি কোরআনের কোন রেফারেন্স দিলেই সে হারাম সম্পর্ক থেকে সরে আসবে।
তবু বলার জন্যই বলে আর কি।
কিন্তু আল্লাহ তায়ালা ইসলাম কে মানবজাতির পূর্ণাঙ্গ দ্বীন হিসেবে ঘোষনা দিয়েছেন। সেই দ্বীনে কোন ফাঁক ফোকর থাকবে এ তো অসম্ভব!
কোরআনে সরাসরিই বলা হয়েছে প্রেম হারাম।
.
Read Attentively...
.
"আজ তোমাদের জন্য পবিত্র বস্তুগুলি হালাল করা হল। আহলে কিতাবের যবাহকৃত জীবও তোমাদের জন্য হালাল এবং তোমাদের যবাহকৃত জীবও তাদের জন্য হালাল। আর সতী সাধ্বী মুসলিম নারীরাও এবং তোমাদের পূর্ববর্তী আহলে কিতাবের মধ্যকার সতী-সাধ্বী নারীরাও (তোমাদের জন্য হালাল), যখন তোমরা তাদেরকে তাদের বিনিময় (মোহর) প্রদান কর, এ রূপে যে, তোমরা (তাদেরকে) পত্নী রূপে গ্রহণ করে নাও, না প্রকাশ্যে ব্যভিচার কর, আর না গোপন প্রণয় কর; আর যে ব্যক্তি ঈমানের সাথে কুফরী মিশ্রিত করবে তার ‘আমল নিস্ফল হয়ে যাবে এবং সে আখিরাতে সম্পূর্ণ রূপে ক্ষতিগ্রস্ত হবে।"
(সূরা আল মায়িদাঃ৫)
.
Note this...
.
"যখন তোমরা তাদেরকে তাদের বিনিময় (মোহর) প্রদান কর, এ রূপে যে, তোমরা (তাদেরকে) পত্নী রূপে গ্রহণ করে নাও, না প্রকাশ্যে ব্যভিচার কর, আর না গোপন প্রণয় কর"
আল্লাহ এখানে বিয়ে কে হালাল করেছেন আর ব্যভিচার এবং গোপন প্রণয় কে করেছেন হারাম।
.
ইউসুফ (আ.) এর সাথে বাদশাহ আযীয পত্নী জুলেখার মধ্যকার প্রেম কাহিনীর রেফারেন্স দিয়েও অনেকে প্রেমকে হালাল করতে চান!
অথচ সেটা কি আদৌ প্রেম কাহিনী ছিল?
.
স্বয়ং আল্লাহই বর্ণনা করেছেন ইউসুফ (আ.) ও বাদশাহ আযীয পত্নী জুলেখার মধ্যকার সম্পর্ক।
"বাদশাহ নারীদেরকে বলল, ‘তোমরা যখন ইউসুফকে কুপ্ররোচনা দিয়েছিলে তখন তোমাদের কী হয়েছিল’? তারা বলল, ‘মহিমা আল্লাহর!
.
আমরা তার ব্যাপারে খারাপ কিছু জানি না’। আযীয পত্নী বলল, ‘এখন সত্য প্রকাশ পেয়েছে, আমিই তাকে কুপ্ররোচনা দিয়েছি। আর নিশ্চয় সে সত্যবাদীদের অন্তর্ভুক্ত’।
(সূরা ইউসুফঃ৫১)
.
ইউসুফ (আ.) কোন প্রেমের সম্পর্কে জড়াননি। নিজের অসৎ উদ্দেশ্য চরিতার্থ করতে গিয়ে কেন আমরা নবী (আ.) দের উপর মিথ্যা অপবাদ দিচ্ছি?
.
Shame on you...
.
প্রেমের আদতেই কোনই ফায়দা নেই বোন। সম্প্রতি সিলেটে ঘটে যাওয়া ঘটনায় একবারও কি তুমি শিউরে উঠোনি?
.
বলবে তোমার বয়ফ্রেন্ড সুশীল,সভ্য? বলবে এমন কাজ সে কক্ষনো করবে না?
.
খাদিজা নামের মেয়েটাও কি এই একই বিশ্বাসে ভালবেসেছিল না?
.
সে কি জানতো তারই প্রেমিক প্রকাশ্যে তাকে এভাবে কুপিয়ে জখম করবে?
.
Truth Is আল্লাহর হুকুম কে অমান্য করে সৃষ্টির শুরু থেকে আজ অবধি কেউ সুখে থাকতে পারেনি, কোনদিন পারবেও না।
,
Collected

Tuesday, February 21, 2017

GMAIL-এর যে ৬টি ফিচার আপনার অজানা

GMAIL-এর যে ৬টি ফিচার আপনার অজানা
source: SOMOYERpata
অনলাইন ডেস্কঃ -মেল পরিষবার ক্ষেত্রে গুগলের Gmail-এর গ্রাহক সংখ্যা রেকর্ড সৃষ্টি করেছে কিন্তু অনেকেই এই পরিষেবা সম্পর্কে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয় জানেন না তাঁদের জন্য বিস্তারিত জানানো হল Gmail-এর কিছু ফিচার
শেষ পর্যায়ে হঠাত্ ইমেল এডিট করতে হলে undo send
ইমেল লেখার পর send বোতামে ক্লিক করার পরে কোনও ভুল চোখে পড়লে কিংবা এডিটিংয়ের কিছু গোলমাল নজরে এলে ইমেল সেন্ড করার পরেও তা কয়েক সেকেন্ডের মধ্যে চাইলে undo করতে পারেন এমন পরিস্থিতিতে Gmail-এর জেনারেল সেটিংসে গিয়ে undo send অপশনটি চালু করতে পারেন
সময় বাঁচাতে চালু করুন canned responses
একই মেল একাধিক ব্যক্তিকে পাঠাতে হলে বার বার -মেল লেখার প্রয়োজন নেই অনেক সময় দেখা যায়, অধিকাংশ ক্ষেত্রে আমরা একই ধরনের ইমেল বারবার লিখছি সময় বাঁচাতে হলে মেলটি save করে canned responses হিসেবে জমিয়ে রাখা যায় এরপর স্বল্প এডিট করে তা একাধিক বার ব্যবহার করা যায়। canned responses ফিচারটি পাওয়া যাবে gmail>settings>labs>canned responses গন্তব্যে

অফলাইনেও Gmail ব্যবহার করা যায়
অনলাইনের নানান উপদ্রব থেকে বাঁচতে হলে অফলাইন মোডে কাজ করা দরকার হয় এই অবস্থায় -মেল পাঠাতে হলে Gmail-এর অফলাইন অ্যাপটি ব্যবহার করুন এই অ্যাপ-এর সাহায্যে অফলাইন থেকেও Gmail-এর বেশ কিছু ফিচার ব্যবহার করা যায় এমনকি পুরনো -মেলও দেখা যায় পাশাপাশি, নতুন -মেল বা কোনও মেলের জবাব লিখে পরে অনলাইনে গেলে তা নির্দিষ্ট গন্তব্যে পৌঁছে যায়
ইনবক্স নোটিফিকেশন বন্ধ রাখতে হলে:
Gmail- নতুন কোনও -মেল এলে তার সংখ্যা menu bar-এর inbox লেখা শব্দের পাশে দেখা যায় এতে অনেকের মনঃসংযোগে ব্যাঘাত ঘটে এই ব্যবস্থা এড়াতে চাইলে email pause অপশনটি ব্যবহার করতে পারেন
অপছন্দের -মেল বন্ধ করতে হলে:
প্রায়ই দেখা য়ায়, অপ্রয়োজনীয় -মেলে ইনবক্স গিজগিজ করছে এমন পরিস্থিতি থেকে বাঁচতে হলে ভিজিট করুন unroll.me ওয়েবসাইটটি এখানে sign up-এর পরে অনাকাঙ্খিত -মেল প্রাপ্তি থেকে সহজেই রক্ষা পাবেন
2-factor authentication চালু করুন
শুধু -মেল নয়, বহু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য, ছবি, ভিডিও এমনকি ব্যাংক সংক্রান্ত তথ্য অনেকে Gmail বা গুগলের অন্যান্য পরিষেবায় জমা রাখেন এই কারণে -মেলের নিরাপত্তা ব্যবস্থা মজবুত রাখা প্রয়োজন 2-factor authentication ফিচার চালু করলে শুধু পাসওয়ার্ডের সাহায্যে -মেল খোলা সম্ভব হয় না পাসওয়ার্ড এবং মোবাইলে আসা কোড পর পর ব্যবহার করেই ইমেল চালু করতে হয় ফলে হ্যাকারদের হামলা থেকে বাঁচা সম্ভব হয়

.

.
..
Related Posts Plugin for WordPress, Blogger...

Follow by Email

BreaKingNew:

^ Back to Top