Aassalamu alikum how are you I hope you are all well. All the praise to Allah subhanahu oatala.I am Abu Saeid Studying MS in Food Processing and Preservation in Hajee Muhammad Danesh Science and Technology University, Dinajpur. Stay in Zia hall room no#226# 1st floor in HSTU campus, Basher hat, Dinajpur.

POSTS\\\\

Saturday, September 6, 2014

Toxic Effects of Formaldehyde and Formalin




The Toxic Effects of Formaldehyde and Formalin
The results of this investigation may be summarized as follows:

1. The inhalation of formaldehyde gas in even small quantities is followed by bronchitis and pneumonia. Pneumonia is due to the inhalation of the gas and not to secondary infection. 

2. Formalin belongs to that rare group of poisons which are capable of producing death suddenly when swallowed.

3. The introduction of formalin into the stomach is followed by the production of a gastritis which varies greatly in character. The duodenum and upper jejunum may also be involved in the inflammatory process.
4. Intraperitoneal injections of formalin cause peritonitis of a fibrino-haemorrhagic character. A definite reaction is obtained when very dilute formalin (1–1000) is employed. In the peritoneal cavity formalin exercises a destructive action upon all organs (pancreas, liver, peritoneal fat, Fallopian tubes, etc.) with which it comes in contact and causes inflammation in these organs.

5. The lethal dose of formalin when injected intraperitoneally into guinea pigs is approximately 2 cc. of 1–1000 formalin for each 100 grm. of body weight.
6. The injection of formalin into the lungs is followed by pneumonia and bronchitis.
7. The inflammation which follows subcutaneous injections of formalin is characterized by intense exudation.
8. The injection of formalin into the muscles produces myositis.

9. The injection of formalin into the anterior chamber of the eye causes the accumulation of an exudate containing leucocytes and fibrin. When formalin is dropped into the conjunctival sac iritis follows and may be severe enough to destroy the eye. 

10. Formalin in whatever way introduced into the body is absorbed, and is then capable of producing lesions in the parenchymatous organs. 

11. Changes in the liver after absorption of formalin consist of mild or severe grade of cloudy swelling accompanied by vacuolation of the protoplasm, changes in the nuclei and leucocytic infiltration. Focal necrosis may result. Similar changes follow the inhalation of formaldehyde.
12. The injection of formalin or the inhalation of the vapors of formaldehyde produces cloudy swelling of the parenchyma of the kidney. Focal necrosis may result.
13. Pneumonia and bronchitis are found in all animals after the injection of formalin.
14. The leucocytic infiltration which follows the introduction of formalin into an organ has these general characteristics: The eosinophiles are the first leucocytes to appear; these are followed by the other polynuclear leucocytes; last appear the large and small mononuclear leucocytes. Similar phenomena occur in the trachea, bronchi and lungs of animals subjected to formaldehyde inhalations.

15. Formalin is, directly or indirectly, chemiotactic for leucocytes. The tissues which are not infiltrated with leucocytes after the injection of formalin are those which have been so injured by the chemical that an inflammatory reaction is impossible. 

16. Animals subjected to chronic poisoning with formalin administered by intraperitoneal injection develop fibrinous peritonitis, associated with marked eosinophilia. The changes in the kidneys and liver consist of cloudy swelling, fatty degeneration, focal necrosis and leucocytic infiltration.

Tuesday, September 2, 2014

উয়াইস কারনীর মর্যাদা



হাদিসের গল্পঃ উয়াইস কারনীর মর্যাদা

Description: 228040_182241378491694_180768585305640_425835_6585808_n
সংকলন ও সম্পাদনাঃ কুরআনের আলো টীম
উসাইর ইবনু জাবির (রা:) বলেন, ইয়ামানে বসবাসকারীদের পক্ষ থেকে ওমর (রা:)-এর নিকট সাহায্যকারী দল আসলে তিনি তাদেরকে প্রশ্ন করতেন, তোমাদের মাঝে কি উয়াইস ইবনু আমির আছে? অবশেষে (একদিন) উয়াইস (রহঃ) এসে গেলেন। তাকে ওমর প্রশ্ন করলেন, আপনি কি উয়াইস ইবনু আমির? সে বলল, হ্যাঁ। ওমর (রা:) আবার বললেন, মুরাদ সম্প্রদায়ের উপগোত্র কারনেরলোক? তিনি বললেন, হ্যাঁ । তিনি বললেন, আপনার কি কুষ্ঠরোগ হয়েছিল, আপনি তা হতে সুস্থ হয়েছেন এবং মাত্র এক দিরহাম পরিমাণ স্থান বাকী আছে? তিনি বললেন, হ্যাঁ। তিনি বললেন, আপনার মা জীবিত আছে কি? তিনি বললেন, হ্যাঁ।
ওমর বললেন, আমি রাসূলুল্লাহ (সাঃ)-কে বলতে শুনেছি, ইয়ামানের সহযোগী দলের সাথে উয়াইস ইবনু আমির নামক এক লোক তোমাদের নিকট আসবে। সে মুরাদজাতির উপজাতি কারনেরলোক। তার কুষ্ঠরোগ হবে এবং তা হতে সে মুক্তি পাবে, শুধুমাত্র এক দিরহাম পরিমাণ স্থান ছাড়া। তার মা বেঁচে আছে, সে তার মায়ের খুবই অনুগত। সে (আল্লাহ্‌র উপর ভরসা করে) কোন কিছুর শপথ করলে তা আল্লাহ্‌ তাআলা পূরণ করে দেন। তুমি যদি তাকে দিয়ে তোমার গুনাহ মাফের জন্য দোআ করাবার সুযোগ পাও, তাহলে তাই করবে।
ওমর (রা:) বলেন, কাজেই আমার অপরাধ ক্ষমার জন্য আপনি দোআ করুন। তখন তিনি (উয়াইস) ওমরের অপরাধের ক্ষমা চেয়ে দোআ করলেন। ওমর (রা:) তাকে বললেন, আপনি কোথায় যেতে চান? তিনি বললেন, কূফায়। তিনি (ওমর) বলেন, আমি সেখানকার গভর্নরকে আপনার (সাহায্যের) জন্য লিখে দেই? তিনি বললেন, আমার নিকট গরীব-মিসকিনদের মাঝে বসবাস করাই বেশী পছন্দনীয়। পরের বছর কূফার এক নেতৃস্থানীয় লোক হজ্জে এলো। তার সাথে ওমরের দেখা হলে তিনি উয়াইস সম্পর্কে তাকে প্রশ্ন করলেন। সে বলল, আমি তাকে এরকম অবস্থায় দেখে এসেছি যে, তার ঘরটা অত্যন্ত জীর্ণ অবস্থায় আছে এবং তার জীবন-যাপনের উপকরণসমূহ খুবই নগণ্য।
ওমর (রা:) বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ (সাঃ)-কে বলতে শুনেছি, উয়াইস ইবনু আমির নামক এক লোক ইয়ামানের সাহায্যকারী দলের সাথে তোমাদের নিকট আসবে। সে মুরাদজাতির উপজাতি কারনবংশীয় লোক। তার কুষ্ঠ রোগ হবে এবং তা থেকে সে মুক্তি পাবে, শুধুমাত্র এক দিরহাম পরিমাণ স্থান ছাড়া। তার মা বেঁচে আছে এবং সে তার মায়ের খুবই অনুগত। সে (আল্লাহ্‌র উপর ভরসা করে) কোন কিছুর শপথ করলে তা আল্লাহ্‌ পূরণ করে দেন। তুমি যদি তোমার গুনাহ মাফের জন্য তাকে দিয়ে দোআ করানোর সুযোগ পাও, তাহলে  তাই  করবে।  লোকটি  ফিরে  এসে উয়াইসের নিকট গিয়ে বলল, আমার অপরাধ ক্ষমার জন্য আপনি দোআ করুন।
তিনি (উয়াইস) বললেন, এইমাত্র আপনি মঙ্গলময় সফর (হজ্জ) থেকে প্রত্যাবর্তন করেছেন; বরং আপনিই আমার অপরাধ ক্ষমার জন্য দোআ করুন।  তিনি  বললেন,  আপনি  কি  ওমরের  সাথে  সাক্ষাৎ করেছেন। সে বলল, হ্যাঁ। তার জন্য উয়াইস দোআ করলেন। উয়াইসের মর্যাদা সম্পর্কে লোকেরা সচেতন হলে সেখান থেকে উয়াইস অন্য স্থানে চলে গেলেন। অন্য বর্ণনায় এসেছে, ওমর (রা:)-এর নিকট কূফার অধিবাসীরা একটি সাহায্যকারী দল পাঠায়। দলের এক লোক উয়াইসকে বিদ্রূপ করত। ওমর (রা:) বললেন, এখানে কারনবংশীয় কেউ আছে কি? ঐ ব্যক্তিটি উঠে আসলে ওমর (রা:) বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেন, ইয়ামান থেকে উয়াইস নামে এক লোক তোমার নিকট আসবে। সে তার মাকে ইয়ামানে একা রেখে আসবে। তার কুষ্ঠরোগ হবে। সে আল্লাহ্‌র নিকট দোআ করবে, আল্লাহ্‌ তার রোগমুক্তি দান করবেন, শুধুমাত্র এক দীনার অথবা এক দিরহাম পরিমাণ স্থান ছাড়া। তোমাদের মধ্যে যে কেউ তার দেখা পাবে, তাকে দিয়ে সে যেন তার গুনাহ মাফের জন্য দোআ করায়। ওমর (রা:) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ (সাঃ)-কে বলতে শুনেছি, পরবর্তীদের (তাবেঈ) মধ্যে উয়াইস নামে এক সৎ লোক হবে। তার মা বেঁচে আছে। তার শরীরে কুষ্ঠের চিহ্ন থাকবে। তার নিকট গিয়ে নিজের গুনাহ মাফের জন্য তাকে দিয়ে প্রার্থনা করাও। [মুসলিম হা/২৫৪২, ছাহাবীগণের মর্যাদাঅধ্যায়, অনুচেছদ-৫৫]
শিক্ষা:
পিতা-মাতার প্রতি সদ্ব্যবহারকারী ব্যক্তি দুনিয়া ও আখেরাতে মর্যাদাবান হবেন।

অন্তর কঠিন হয়ে যায় কেন?



অন্তর কঠিন হয়ে যায় কেন?

Description: Heart of stone
লেখকঃ আবুল কাসেম মুহাম্মাদ মাসুম বিল্লাহ | সম্পাদনাঃ ড. আবু বকর মুহাম্মাদ যাকারিয়া
মুসলিম উম্মাহ আজ যে সব মহাপরীক্ষা ও মহা মুছিবতে পতিত এবং কঠিন ও ভয়াবহ রোগে আক্রান্তহয়েছে, তন্মধ্যে এমনই একটি রোগ হলো: অন্তর (ক্বালব) কঠিন হয়ে যাওয়া।
 নিম্নলিখিত কারণে ক্বালব বা অন্তর কঠিন হয়ে যায়:-
১- নামাযের জামাআতে হাযির হওয়ার ব্যাপারে অবহেলা ও গাফলতি করা এবং মসজিদে সকাল সকাল না যাওয়া বরং দেরী করা।
২- কুরআনকে পরিত্যাগ করা অর্থাৎ বিনয়-নম্রতা আর মনোযোগ এবং চিন্তা গবেষণাসহকারে কুরআন তেলাওয়াত না করা।
৩- হারাম রুজি যেমন:সুদ, ঘুষ, মাল্টিপারপাস, ইন্স্যুরেন্স এবং বেচাকেনাসহ বিভিন্ন লেনদেনে প্রতারণা ও জালিয়াতি সহ অন্যান্য হারাম পদ্ধতিতে রুজি-রোজগার করার কারণে।
৪- অহংকার, বড়াই, প্রতিশোধপরায়ণতা, মানুষের দোষ-ত্রুটি বা অপরাধকে মাফ না করা, মানুষকে অবহেলা করে নিকৃষ্ট মনে করা, মানুষকে নিয়ে ঠাট্টা-বিদ্রূপ করা।
৫- দুনিয়ার প্রতি আসক্ত হয়ে ঝুঁকে পড়া, দুনিয়া দ্বারা প্রতারিত হওয়া এবং মৃত্যুকে, কবরকে এমনকি আখেরাতকে ভুলে যাওয়া।
৬- যে কোনো বেগানা নারীর দিকে তাকানো হারাম; যা অন্তরকে কঠোর করে দেয়।
৭- দাঁড়ি গজায়নি এখনো এমন সুন্দর ছেলের দিকে অযথা তাকানো হারাম; তাই সেটাও অন্তর কঠোর করে দেওয়ার অন্যতম কারণ।
৮- আমি নিজে প্রতিদিন কি কি খারাপ কাজ করলাম? নিজের সমালোচনা নিজে না করা, বরং মানুষের সমালোচনা করা।
৯- অনেক দিন দুনিয়ায় থাকবো,অনেক কিছুর মালিক হবো এমন ভুল ধারণা মনের ভিতর থাকা।
১০- আল্লার যিকির বেশী বেশী না করে বরং বেশী বেশী কথা বলা, বেশী বেশী হাসাহাসি-তামাশা এবং মশকারী বা মজাক করা।
১১- বেশী খাওয়া-দাওয়া করা।
১২- বেশী ঘুম যাওয়া।
১৩- মানুষের উপর জুলুম করা।
১৪- শরীয়তের কোনো আদেশ-নিষেধ লংঘন হওয়ার কারণ ব্যতীত অন্য কোনো কারণে রাগ করা।
১৫- ইসলামের দাওয়াত দেওয়ার উদ্দেশ্য ব্যতীত কাফেরের দেশ ভ্রমণে বের হওয়া।
১৬- মিথ্যা, গীবত (পরচর্চা) এবং একজনের কথা অন্যের নিকট গিয়ে বলার মাধ্যমে উভয়ের মধ্যে ফাসাদ সৃষ্টি করা।
১৭- খারাপ মানুষের সাথে উঠাবসাও চলাফেরা করা।
১৮- অন্য মুসলিমকে মনে মনে অথবা প্রকাশ্য হিংসা করা।
১৯- একজন মুসলিমের উন্নতি সহ্য করতে না পারা, বরং তার ধ্বংস কামনা করা।
২০- অন্য মুসলিম ভাইয়ের সাথে শত্রুতা করা, ঘৃণা করা এবং তাকে অপছন্দ করা।
২১- আপনার নিজের বা মুসলিম ভাইয়ের কোনো লাভ বা ফায়েদা ব্যতীত নিজের ও অপরের সময় নষ্ট করা।
২২- ইসলামী জ্ঞান শিক্ষা না করা এবং ইসলামী শিক্ষা হতে নিজকে দূরে সরিয়ে রাখা।
২৩- জাদুকর, গণক, জোতিষী, তন্ত্রমন্ত্রকারীর নিকট যাওয়া।
২৪- মাদক, নেশাজাতীয় দ্রব্য, বিড়ি-সিগারেট, হুক্কা, লতা ওয়ালা হুক্কা সহ যাবতীয় তামাক ও তামাকজাত এবং ক্ষতিকর দ্রব্য পান করা।
২৫- সকাল-সন্ধ্যার যিকরসমুহ পাঠ না করা।
২৬- গান শুনা, হিন্দী সহ যাবতীয় লেংটা, চরিত্রহীন হারাম ফিল্ম দেখা, পতিত (খারাপ) চটি পত্রিকা ম্যাগাজিন পাঠ করা।
২৭- আল্লাহর নিকট সর্বদা গুরুত্বসহকারে দোআ না করা।

.

.
..
Related Posts Plugin for WordPress, Blogger...

Follow by Email

BreaKingNew:

^ Back to Top