Aassalamu alikum how are you I hope you are all well. All the praise to Allah subhanahu oatala.I am Abu Saeid Studying MS in Food Processing and Preservation in Hajee Muhammad Danesh Science and Technology University, Dinajpur. Stay in Zia hall room no#226# 1st floor in HSTU campus, Basher hat, Dinajpur.

POSTS\\\\

Saturday, March 16, 2013

বদর যুদ্ধে হযরত আলী (আ.)'র অসাধারণ বীরত্ব



বদর যুদ্ধে হযরত আলী (আ.)'র অসাধারণ বীরত্ব

১৩৮৯ বছর আগে খ্রিস্টীয় ৬২৪ সনের এ দিনে মক্কার মুশরিকরা মুসলমানদের সঙ্গে তাদের প্রথম সুসংগঠিত যুদ্ধে হেরে গিয়েছিল।বিশ্বনবী হযরত মুহাম্মাদ (সা.) মদীনায় হিজরত করার পর তাঁর ওপর এ যুদ্ধ চাপিয়ে দিয়েছিল মক্কার কাফের কুরাইশরা।এ যুদ্ধে মুসলিম মুজাহিদদের সংখ্যা ছিল মাত্র ৩১৩ জন। অন্যদিকে আগ্রাসী মুশরিক বাহিনীর সদস্য ছিলে এক হাজারেরও বেশি। মহান আল্লাহর সহায়তায় কাফির বাহিনীর ৭০ জন মুজাহিদদের হাতে নিহত হয় এবং তাদের ৭০ জন মুসলিম বাহিনীর হাতে বন্দী হয়।অন্যদিকে মুসলিম বাহিনীর ১৪ জন শাহাদত বরণ করেন। মুসলমানদের পক্ষে এই যুদ্ধের প্রধান বীর ছিলেন আমিরুল মু'মিনিন হযরত আলী (আ.)। তিনি একাই  ৩৬ জন কাফেরকে হত্যা করেছিলেন যাদের মধ্যে অনেকেই ছিল নেতৃস্থানীয় বা কাফের সর্দার।
বহু বছর পরে মুয়াবিয়া হযরত আলী (আ.)'র খেলাফতের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করলে এক চিঠিতে আমিরুল মু'মিনিন তাকে সতর্ক করে দিয়ে লিখেছিলেন, যে তরবারি দিয়ে আমি তোমার নানা (উতবা), তোমার মামা (ওয়ালিদ) ও ভাই হানজালার ওপর আঘাত হেনেছিলাম (তথা তাদের হত্যা করেছিলাম) সে তরবারি এখনও আমার কাছে আছে।
শেরে খোদা বা 'আল্লাহর সিংহ' নামে খ্যাত হযরত আলী (আ.) ছিলেন বিশ্বনবী (সা.)'র চাচাতো ভাই, জামাতা ও তাঁর পবিত্র আহলে বাইতের শীর্ষ সদস্য। ইসলামের ইতিহাসের প্রাথমিক যুদ্ধগুলোর বেশিরভাগেরই জয়ের মূল স্থপতি ছিলেন এই মাসুম ইমাম ও খলিফা। তিনি ও হযরত খাদিজা (সা.) প্রায় একই সময়ে ইসলাম ধর্ম গ্রহণকারী হিসেবে ইসলামের ইতিহাসের সর্বপ্রথম মুসলমান। আলী (আ.)'র বয়স ছিল সে সময় মাত্র দশ বছর। #

রেডিও তেহরান/এএইচ/১৩

ভালোবাসা বিষয়ে নির্বাচিত দশটি উক্তি



হযর‌ত ইমাম গাযযালী রাহিমাহুল্লাহ কর্তৃক রচিত ‘এহইয়া উলুম উদ-দীন’ গ্রন্থ হতে আল্লাহর জন্যে ভালোবাসা বিষয়ে নির্বাচিত দশটি উক্তি :

১- হযরত উমার বিন আল খাত্তাব রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, “যদি তোমাদের কেউ অন্য কোনো ভাইয়ের প্রিয়ভাজন হয়ে থাকো, তার উচিত শক্তভাবে এই সদ্ভাব বজায় রাখা, কারণ এটি সত্যিই দুর্লভ একটি আশীর্বাদ”।

২- উমার রাদিয়াল্লাহু আনহু আরো বলেন, ” ইসলামের হেদায়াত লাভের পর সৎ বন্ধুর চেয়ে উত্তম কোন কিছু কাউকে দেয়া হয়নি”।

৩- হযরত আলি ইবন আবি তালিব রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, ‘তোমার ভাইয়ের প্রতি সদয় হও, কারণ তারা দুনিয়া ও আখেরাতে তোমার সহায়ক। তোমরা কি জাহান্নামের বাসিন্দাদের চিৎকার শোন না? : “আজ আমাদের জন্যে কেউই রইল না, না আছে কোনো সুহৃদ বন্ধু (যে আল্লাহ তায়ালার কাছে সুপারিশ করতে পারে) ! [সূরা আশ শোয়ারা : ১০০-১০১]‘

৪- আবদুল্লাহ বিন উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, “আল্লাহর শপথ, যদি আমি সারাদিন না খেয়ে সিয়াম পালন করি, সারা রাত না ঘুমিয়ে সালাত আদায় করি, আমার সমুদয় ধন-সম্পত্তি আল্লাহর রাস্তায় ব্যয় করি; এরপর আমি মারা যাই কিন্তু আমার অন্তরে যদি তাদের প্রতি কোনো ভালোবাসা না থাকে যারা আল্লাহর অনুগত এবং যারা আল্লাহর অবাধ্য তাদের প্রতি যদি কোন ঘৃণা না থাকে; আমার এই সকল ইবাদত কোনোই কাজে আসবে না”।

৫- আব্দুল্লাহ বিন মাসউদ রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, ” যদি কোন ব্যক্তি একটানা সত্তর বছর পর্যন্ত মাকামে ইবরাহীমে(কা’বা) দাঁড়িয়ে থেকেও আল্লাহর ইবাদত করে, তবুও সে তাদেরই সাথে হাশরের ময়দানে উঠবে যাদেরকে সে ভালোবেসেছে”।

৬- ইবন আল সামাক তাঁর মৃত্যুশয্যায় থেকে বলেন, ” ও আল্লাহ ! তুমি তো জানো, যদিও আমি তোমার অবাধ্যতা করেছি, তবুও আমি তাদেরকে ভালোবাসতাম যারা তোমার আনুগত্য করেছে। তাই, আমার এই ভালোবাসাকে তোমার নৈকট্য লাভের মাধ্যম বানিয়ে দাও !”

৭- মুজাহিদ বলেন, “যারা পরস্পরকে আল্লাহর জন্যে ভালোবাসে, যখন তারা একে অপরের দিকে তাকিয়ে হাসি বিনিময় করে; তাদের গুনাহগুলো এমনভাবে ঝরে পরে যেভাবে শীতকালে গাছের পাতাগুলো ঝরে পরে”।

৮- “ঈমানের দৃঢ়তম বন্ধন হল আল্লাহর জন্যে ভালোবাসা এবং আল্লাহর জন্যে ঘৃণা করা”।

আল-গাযযালী রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের এই হাদীসের মন্তব্যে বলেন, “একারণে, এটা অত্যাবশ্যকীয় যে, একজন মানুষ যাদেরকে ঘৃণা করবে তাদেরকে আল্লাহর জন্যেই ঘৃণা করবে, এবং ভাই-বন্ধুদের মধ্যে যাদেরকে ভালোবাসবে, তাদেরকে আল্লাহর জন্যেই ভালোবাসবে”।

৯- আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, “বান্দাকে যখন শেষ বিচারের দিনে মহান আল্লাহর সামনে এনে হাজির করা হবে, আল্লাহ তায়ালা তাকে বলবেন, ‘তুমি কি আমার কোন বন্ধু(আউলিয়া)কে ভালোবাসতে, যাতে আমি তার সাথে তোমাকে একত্রিত করতে পারি?”

১০- হাসান আল বসরী বলেন, “কোনো ফাসিকের বিরুদ্ধে কঠোরতা তোমাকে মহান আল্লাহর নৈকট্য দান করবে”।

.

.
..
Related Posts Plugin for WordPress, Blogger...

BreaKingNew:

^ Back to Top